April 19, 2026, 2:36 pm

নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে পানিবন্দি কয়েক’শ পরিবার দেখার যেন কেহ নেই ?

নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে পানিবন্দি শিমরাইল উওরপাড়ার কয়েক’শ পরিবার, দেখার যেন কেহ নেই ?। নাসিক ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আরবাব গ্রæপ অব কোম্পানির কারনে শিমরাইল উত্তরপাড়া এলাকায় হালকা বর্ষণে কারনে জলাবদ্ধতায় কৃত্রিম বন্যা সৃষ্টি হয়েছে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারনে হালকা বৃষ্টি হলেই এ এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয় এলাকার কয়েক’শ পরিবারকে। রাস্তা-ঘাট খারাপ হওয়ায় চলাচল করতে, স্কুল কলেজ পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদেরকে, সরকারী-বেসরকারী চাকরিজীবী এবং গৃহীনিদেরকে পানিবন্দী হয়ে বেকায়দায় পরতে হচ্ছে। এসব এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করলেও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এসে সহানুভুতিও দেখায়নি তাদের। এলাকাবাসী কয়েকবার এ সমস্যা নিয়ে নাসিক ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসানের ধারস্থ হলেও কোন কাজে আসেনি।
এলাকাবাসী জানায়, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড শিমরাইল উত্তরপাড়া এলাকায় হালকা বর্ষণে জলাবদ্ধতায় রাস্তা-ঘাট, বাড়ী-ঘর, ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করার কারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ভোগের শিকার হয়েছে শিমরাইল উত্তরপাড়া এলাকার হাজার হাজার মানুষ। রাস্তায়, বাড়ী-ঘরে ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি প্রবেশ করায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এলাকাবাসী। তাছাড়া এসব ময়লা ও দুর্গন্ধ যুক্ত ময়লা পানিতে যাতায়াত করে এলাকাবাসীকে অসুস্থ্য হয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে। সচেতন মহল নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভির হস্থক্ষেপ কামনা করছে। দ্রæত পানি নিস্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি স্থানীয় এলাকাবাসীর। #####

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা